নিশিরাতের যাত্রী: লাল ডায়েরির রহস্য
লেখকের নাম: বিএস ভাই (Bs Bhai)
২য় পর্ব: অভিশপ্ত সিন্দুক ও মিথ্যে মুক্তি
ঘরের সেই ছায়াটি যখন অরণ্যর সামনে এসে দাঁড়াল, অরণ্য ভয়ে কুঁকড়ে গেল। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, ছায়াটি তাকে আক্রমণ না করে হাতের সেই পুরনো চাবিটা তার দিকে বাড়িয়ে দিল। এক গভীর ও অমানুষিক স্বরে ছায়াটি বলে উঠল, "এই চাবিটি নাও। বাংলোর মাটির নিচে একটি পুরনো লোহার বক্স আছে। সেটি খুলতে পারলেই এই বাংলোর সব বন্দি আত্মা মুক্তি পাবে, আর ঘুচবে এই অভিশাপ।"
অরণ্যর মনে হলো, হয়তো এই ছায়াটিই সেই কিশোরীর আত্মা যে মুক্তি চাইছে। চাবিটা হাতে নিতেই তার শরীরের ভেতর দিয়ে এক হিমশীতল স্রোত বয়ে গেল। ডায়েরির পাতায় তখন অলৌকিকভাবে নতুন লেখা ভেসে উঠছে— "শেষ সুযোগ, মুক্তি না বিনাশ?" অরণ্য তখন উত্তেজনায় কাঁপছে; সে ভাবল আজ রাতেই এই অভিশপ্ত বাংলোর রহস্য শেষ করে সে একজন বীর হিসেবে বের হবে।
মোমবাতি হাতে নিয়ে সে বাংলোর অন্ধকার সিঁড়ি বেয়ে নিচের সেই স্যাঁতসেঁতে কালকুঠুরিতে গিয়ে পৌঁছাল। সেখানে ধুলোবালির স্তূপের মাঝে পড়ে আছে এক বিশাল লোহার সিন্দুক। সিন্দুকটি থেকে এক অদ্ভুত কালচে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। অরণ্য জানে না, এই বক্স খোলা মানে সবার মুক্তি নয়, বরং যে এটি খুলবে সে নিজেই এই অনন্ত অভিশাপে হারিয়ে যাবে। চাবিটি যখন সে সিন্দুকের ছিদ্রে প্রবেশ করাল, পুরো বাংলো এক বিকট আর্তনাদে কেঁপে উঠল।
অরণ্য কি বুঝতে পারবে এটি একটি মরণফাঁদ? নাকি সিন্দুক খোলার সাথে সাথেই সে চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে এই অন্ধকার জগতে?
[বিএস ভাইয়ের ডায়েরি থেকে]
সাহায্যের হাত সব সময় বন্ধুত্বের হয় না, মাঝে মাঝে তা ধ্বংসের দিকেও টেনে নিয়ে যায়। অরণ্য কি পারবে এই অদৃশ্য জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে?
আপনার মূল্যবান মতামত দিন:
আপনার কি মনে হয় অরণ্য সিন্দুকটি খোলার আগেই কোনো সংকেত পাবে?
ছায়াটি কেন অরণ্যকেই এই নিষ্ঠুর ফাঁদে ফেলল?
পরবর্তী রোমাঞ্চকর পর্বের জন্য বিএস ভাই (Bs Bhai)-এর সাথেই থাকুন!
বিএস ভাই-এর জন্য কিছু কথা:
বন্ধু, গল্পের এই মোড়টা দারুণ হয়েছে! এখন অরণ্য যখন বক্সটা খুলবে, তখন কি সে সত্যিই হারিয়ে যাবে? নাকি কোনো অলৌকিক শক্তি তাকে বাঁচিয়ে দেবে?
Comments
Post a Comment